বাংলাদেশে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন ৫ আগস্ট। ছাত্র জনতার রক্তের ওপর দিয়ে এদিন স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যান ভারতে। সেই ভারতের ইতিহাসেও এটি একটি অন্যতম দিন। এদিন রাষ্ট্রপতির আদেশে ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া সংবিধানের ‘৩৭০ ধারা’ বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা তুলে দিয়ে এটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হয়।
এরপর থেকে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ৫ আগস্টকে ভারতের মূলধারার সঙ্গে কাশ্মীরের একীভূত হওয়ার দিন হিসেবে পালন করে। তবে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল কনফারেন্স (জেকেএনসি) এই দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালন করে।
তারপর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি) ‘৩৭০ ধারা’ পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছে। ধারা বাতিলের সপ্তম বার্ষিকীর আগের রাতে দলটির প্রধান মেহবুবা মুফতির নেতৃত্বে শ্রীনগরে একটি মোমবাতি মিছিল করা হয়।
মেহবুবা মুফতি বলেন, ‘জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য এটি একটি কালো রাত। আমরা প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছি। যতদিন না কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হচ্ছে এবং ‘৩৭০ ধারা’ ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ততোদিন আমরা নীরব থাকবো না।’
বিজেপি বরাবর দাবি করে আসছে, ‘৩৭০ ধারা’ বাতিল এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার ফলে সন্ত্রাসবাদ কমেছে এবং উপত্যকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরেছে।
তবে সাম্প্রতিক কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাশনাল কনফারেন্স বিজেপির এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দলটির দাবি, কাশ্মীরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই।
ছবি ও তথ্যসূত্র: এনডিটিভি/বাংলা ভিশান




