এমন পুলিশই এদেশে দরকার

ছাত্র-ছাত্রী ডট কম ডেক্সঃ ছবিতে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি মোহসিন সাহেব। আজকে গাড়িতে গাড়িতে উঠে নিজেই যাদের মুখে মাস্ক নাই তাদেরকে মাস্ক পড়িয়ে দিয়েছেন এবং আগে থেকে যাদের মুখে মাস্ক ছিলো তাদেরকে চকলেট উপহার দিয়েছেন।

উনার মতে, আগে মানুষকে সচেতন করতে হবে। যে যেখানে আছি পাশের জনকে মাস্ক পড়তে অনুরোধ করতে হবে। এরপরও যদি কেউ স্বেচ্ছাচারিতা করে মাস্ক না পড়ে তাহলে তাদের প্রতি প্রশাসন কঠোর হবে।
এরকম পুলিশই আমাদের দেশে দরকার।

ছবি ও তথ্যসূত্রঃ ড. জাকির হাওলাদার

এবার দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাণঘাতী বানর ফক্সের হানা, ১০ জনের মৃত্যু আক্রান্ত ১৪১

ডেক্স রিপোর্টঃ আফ্রিকার কঙ্গোতে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী ‘বানর পক্স’। এতে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও ১৪১ জনের দেহে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

বানর পক্স হলো একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা ত্বকের উত্তেজক নোডুলগুলো দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। এই রোগটি কঙ্গো এবং নাইজেরিয়ার গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে দেখা গেছে। তবে ২০১৯-এর ৯ মে এই রোগটি সিঙ্গাপুরে পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে সেদেশের সরকার।

প্রাথমিকভাবে, বানর পক্স রোগ মুরগির পক্সের মতো লক্ষণ রয়েছে যা জলযুক্ত নোডুলস। এই রোগটি বাড়ার সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাল ছোট ছোট ফুঁসকুড়ি দেখা যায়। এ রোগ একজনের দেহ থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে যেতে পারে, এর মূল উৎস ইঁদুর এবং কাঠবিড়ালি এবং বানর বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

কঙ্গোর চিকিৎসক জানিয়েছেন, সম্প্রতি ৩৩ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন, যা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে। আরও পাঁচ বছর আগেই আফ্রিকায় ‘মানকি পক্স’-এর সন্ধান মেলে।

এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক জরুরি বুলেটিনে বলা হয়, ‘বর্তমান করোনাভাইরাসের মধ্যে চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে গোটা বিশ্ব। এমন অবস্থায় ‘মানকি পক্স ’ নিয়ন্ত্রণে রাখটা জরুরি। বিশেষ করে কঙ্গোর সানকুরু এবং দক্ষিণ উবাঙ্গিতে এই ভাইরাসের আক্রান্তের হার বেশি বলে জানা গেছে।

সূত্রঃ সময়ের কন্ঠস্বর

বহু গুণের সাজনা পাতা

জানেন কি মরিংগা পাউডার (Moringa Powder) বা সজিনা পাতা গুড়াকে সুপার ফুড বলা হয়।
সজিনা পাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাকে অবাক করবেঃ

🌿সজিনা পাতায় কমলা লেবুর তুলনায় ৭ গুণ ভিটামিন-সি রয়েছে।

🌿 দুধের তুলনায় ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ রয়েছে।

🌿 গাজরের তুলনায় ৪ গুণ ভিটামিন-এ পাওয়া যায়।
🌿 কলার চেয়ে ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান।

শুনে আরও অবাক হবেন যে সজিনার পাতা পানিকে আর্সেনিক মুক্তও করে।

আসুন এই অলৌকিক পাতার আরো কিছু বিস্ময়কর গুন জেনে নেইঃ

🌱সজিনার পাতা হৃদরোগীদের জন্যে ঠিক ওষুধের মত কাজ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, কোলেস্টেরল কমায়, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখে।

🌱এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে।

🌱দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।

🌱 সজিনা পাতা বহুমূত্র রোগের জন্যে অনেক উপকারী।

🌱সজিনার ডাটা থেকে সজিনার পাতা অধিক উপকারী।

🌱এলার্জি জনিত সমস্যা হলে সজিনার পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

🌱প্রতিদিন সকালে এক চামচ শুকনা গুড়া পানিতে গুলিয়ে খেলে পেটের প্রদাহ, গ্যাস্ট্রিক মুক্তি পাওয়া যায়।

🌱গেটেবাত এর জন্যে সজিনা পাতা বেটে হাটুতে বা যে স্থানে ব্যাথা হয় লাগিয়ে রাখলে ব্যাথা মুক্তি পাওয়া যায়।

🌱সজিনার ফুল এ ও অনেক উপকার আছে যেমন : হজম শক্তি বাড়ায়, কোষ্ট কাঠিন্য দূর করে ইত্যাদি।

🌱সজিনার পাতা পোকার কামড়ের তাতক্ষনাৎ এন্টিসেপ্টিক হিসেবে অনেজ ভালো কাজ করে।

🌱 সজিনার পাতা ক্রিমিনাশক হিসেবে কাজ করে। ক্রিমি সমস্যা করলে সজিনা পাতা গুড়ো করে অথবা অন্য খাবারের সাথে খান।

🌱সজিনা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীর কে কর্মঠ রাখে। হাড় এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যা আত্মরক্ষার ও ভূমিকা পালন করে।

🌱 সজিনা পাতা যকৃত ও কিডনির কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ করে কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে।

🌱সজিনা পাতা গর্ভবস্থায় মায়ের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে কোনো ধরনের পার্শ প্রতিক্রিয়া ছাড়া।

🌱শরীরের ওজন কমাতে অনেক সাহায্য করে। ব্যায়াম এর পাশাপাশি সজিনা পাতা খান।

🌱 ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ দের মতে সজিনা পাতা ও ডাটা প্রায় ৩০০+ রোগের জন্যে উপকারী ও রোগ নিরাময় করে।

🌱সজনে পাতা বাচ্চাদের পেট পরিষ্কার রাখে।

🌱 সজনে পাতা চামড়া ও চুলের জন্যে ও ভালো।

এবার এর ব্যবহারবিধি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকঃ

💅ত্বক এর জন্যে :
মধুর সাথে সজিনা পাতার রস বা শুকনো গুড়া মিশিয়ে মুখে লাগানে পারেন। এতে মুখের চামড়া টান টান হয়, পরিষ্কার হয় ব্রণ দূর হয়।

💅 ত্বক এর ক্ষতস্থান এর মধ্যে লাগাতে পারেন পাতা বেটে বা গুড়া পেস্ট করে। সজনে পাতা ত্বক এর মধ্যে ক্ষত থাকলে তা ও সারায়।

💅চুলের জন্যে :
সজনে পাতার রস বা শুকনা গুড়া পেস্ট করে সাথে মধু মিক্স করে বা এমনি মাথায় দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে চুল পড়া কমবে। মাথার ত্বক পুষ্টি গুণ পাবে। মাথা ঠান্ডা থাকবে। চুল সুন্দর ও ঘন হবে।

ফেসবুক থেকে সংগ্রহেঃ আসাদুজ্জামান আকাশ, লাইফ কেয়ার হোমিও হল, গাজীপুর।

গুণে ভরা তুলসিপাতাঃ কিভাবে খাবেন

রোগ সারাতে তুলসি পাতার ব্যবহার হয়ে আসছে। নানাবিধ রোগ সারাতে দারুণভাবে সাহায্য করে থাকে তুলসি পাতা। যার উল্লেখ পাওয়া যায় প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও।

জেনে নিন নিয়ম মেনে প্রতিদিন তুলসি পাতা খেলে যেসব উপকার মিলতে পারে;

রক্ত পরিশুদ্ধ হয়ঃ
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ২-৩ টি তুলসি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান এবং টক্সিন শরীরের বাইরে বেরিয়ে যায়।

ডায়াবেটিস দূরে থাকেঃ
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত তুলসি পাতা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাও বাড়ে। ফলে শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। প্রসঙ্গত, মেটাবলিক ড্য়ামেজ-এর হাত থেকে লিভার এবং কিডনি-কে বাঁচাতেও তুলতি পাতা দারুণভাবে সাহায্য করে।

ক্যান্সার দূরে থাকেঃ
তুলসি পাতায় উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীরের ভেতরকার ক্যান্সার সেল যাতে কোনওভাবেই জন্ম নিতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারের কাছে ঘেঁষার সুযোগই পায় না।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটেঃ
একাধিক পুষ্টিগুণে ভরপুর তুলসি পাতা, দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ছানি এবং গ্লুকোমার মতো চোখের রোগকে দূরে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন আটকাতেও সাহায্য করে।

কার্টেসিঃ বিডি-প্রতিদিন

করোনায় প্রাণ গেলো পটিয়ার গরীবের ডাক্তার চিত্তরঞ্জনের

ডেক্স রিপোর্টঃ মরণঘাতী ভাইরাস কেড়ে নিলো দক্ষিণ চট্টগ্রামে পটিয়ার গরিবের ডাক্তার খ্যাত চিত্তরঞ্জন নাথ (৬৬)। তিনি আজ রবিবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা উপসর্গ নিয়ে তার মৃত্যু বরণ করেন।
ডাক্তার চিত্তরঞ্জন নাথের সহকারী সন্তোষ নাথ জানান, গত ৪ জুন বৃহস্পতিবার চেম্বারে রোগী দেখার সময় তিনি শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা দেখা দিলেই সাথে সাথে নিয়ে যাওয়া হয় জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে সাধারণ বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর তার করোনার নমুনা সংগ্রহ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে এমপিএইস ডিগ্রীধারী এ চিকিৎসক পটিয়ার পাচুঁরিয়া এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। তখন থেকেই রোগীরা ৫-১০ টাকা যে যা দিত তাতেই তিনি সন্তোষ্ট থাকতেন।

তিনি একজন সরকারি চাকরিজীবি ছিলেন সর্বশেষ পাচুঁরিয়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় ২০১০ সালে সেচ্ছায় চাকরি হতে অবসর গ্রহন করেন।

এদিকে তার মৃত্যুতে পটিয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে ও স্ত্রী সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বিকাল তিনটার সময় তার নিজ গ্রামের বাড়ি বাঁশখালি উপজেলার পূর্ব চাম্বলে তাকে দাহ করা হবে।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, হাবিলাসদ্বীপ উন্নয়ন কমিটির সমন্বয়ক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ চৌধুরী ও বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের পটিয়া উপজেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য দুলন বড়ুয়া।

সূত্রঃ পাঠক নিউজ

কি ভয়ংকর তথ্য! নিজ হাসপাতালেই করোনা আক্রান্ত ডাক্তার চিকিৎসা বঞ্চিত

চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালে ২০১৮ সালে সাংবাদিক রুবেলের ফুটফুটে শিশু কন্যার মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা এখনো অনেকে ভুলতে পারেনি। সে সময় ম্যাক্স হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলনে এরা পরিবর্তন হবে বলে অনেকে মনে করেছে। কিন্তু না, এবার খোদ নিজ হাসপাতালের চিকিৎসককেই চিকিৎসা বঞ্চিত রাখার মতো অমানবিক ঘটনার জন্ম দিয়েছে তারা।

শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনই কাণ্ড ঘটেছে চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালের চেম্বার করা চিকিৎসক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এএসএম লুৎফুল কবির শিমুলের সাথে। তিনি মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত থাকলেও সংযুক্ত আছেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের কনসালট্যান্ট হিসেবে। এমনকি ওই ম্যাক্স হাসপাতালে চেম্বার করেন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ তার চিকিৎসক স্ত্রীও।

ডা. এএসএম লুৎফুল কবির শিমুল গত রোববার (৩১ মে) রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনার সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন তার ফেসবুকে পোস্টে।

তিনি পোস্টে লিখেছেন, ‘অপ্রিয় সত্যকথন কেউ আঘাত পেলে পাক। আমি তখন খুবই অসুস্হ, অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯০ এর নিচে নেমে যাচ্ছে। প্রথম কোভিড টেস্ট নেগেটিভ আসার পরেও দ্রুত স্যাচুরেশন নেমে যাওয়ায় আমি চিন্তা করেছিলাম এটা কোভিড হতে পারে।আমি জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হবার ব্যাপারে একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম। চিন্তা করলাম আমার হাসপাতাল (ম্যাক্স হাসপাতাল) কেবিনে ভর্তি হয়ে অক্সিজেন নেব।পরে আরেকটি স্যাম্পল আসলে চমেক বা জেনারেলে ভর্তি হব। ঐ প্রতিষ্ঠানের এমডি মিথ্যা কথা বলে আমাকে ভর্তি নিতে চাইলেন না। বিক্ষিপ্ত এবং এলোমেলো কথা বলে ফোন কেটে দিলেন। একটা অক্সিজেন সিলিন্ডারও দিলেন না।’

তিনি আরও লেখেন, ‘পরবর্তীতে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাসায় অক্সিজেন পাঠালেন, আইভি ক্যানুলেশন করালাম ওখানে। ওনারা কেবিনও প্রস্তুত রেখেছিলেন আমার জন্য। যদিও ওখানে ভর্তি হইনি।পরদিন চমেকে ভর্তি হলাম। আমার জন্মস্থান চমেকহাসপাতাল, আমার মা বলতেন, পেয়িং বেডে আমি আমার মায়ের সাথে ছিলাম।আমি নিশ্চিত ছিলাম,আল্লাহর রহমতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আমাকে খালি হাতে ফেরাবেনা। ইমারজেন্সির ফয়সাল কবির রজার্স, জাহেদুল হক, মেডিসিনের সকল অধ্যাপকবৃন্দ (প্রফেসর সুযত পাল, প্রফেসর আঃ সাত্তার, প্রফেসর অনিরুদ্ধ ঘোষ জয়) সকল সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকবৃন্দ বিশেষ করে ডা রবিউল আলম, ডা.এনশাদ একরামউল্লাহ, ডা.আবদুল্লাহ আবু সাইদ প্রতিদিন খোঁজ রেখেছেন।’

‘ডা.সত্যজিৎ মল্লিক, ডা.ফারহানা আক্তার নিয়মিত মনিটর করেছেন। রেসপিরেটরি মেডিসিনের ডা.একেএম মহিউদ্দিন, ডা.সরোজ চৌধুরী অনেক কষ্ট শিকার করেছেন। রেডিওলজির প্রফেসর সুবাস মজুমদার, ডা জাস্টিন ক্লাম্প সিটি রিপোর্ট এ অনেক কষ্ট করেছেন, কার্ডিওলজির ডা.খোরশেদ ভাই ইকো করেছেন।’

ডা. শিমুল আরও লেখেন, ‘একবারের জন্যও হতাশ হইনি, মহান আল্লাহ আমার খুব কাছেই ছিলেন।আমেরিকা থেকে আমার বন্ধু ক্রিটিক্যাল কেয়ার স্পেশালিস্ট ডা আদনানুল করিম নিয়মিত মেসেন্জারে পরামর্শ দিয়েছে যা, আমার পাথেয় ছিল। আমার বন্ধুরা ডা. নাসির, ডা. রোকন উৎকন্ঠিতভাবে আমার খবর নিয়ে যেত। সব বন্ধুরা অনেক দোয়া করেছে। আমার অনেক রোগী আমার জন্য নামাযের মাধ্যমে দোয়া চেয়েছে।আমার মেনটর রোবেদ আমিন স্যার নিয়মিত পরামর্শ দিয়েছেন। প্রফেসর এম এ হাছান স্যার আমাকে মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন। আমি পাপী বান্দার জন্য এত মানুষ, দোয়া করেছেন যে আমি বাকরুদ্ধ।তবে, কয়েকটি কৃমিকীটকে আমি ক্ষমা করে দিতে চাই। করোনা মানুষ চেনাবে।করোনার শিক্ষা যদি বেঁচে থাকি কাজে লাগাব।’

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. শিমুল পোস্টের শেষাংশে লিখেন, ‘আমার টু পারসন আর্মি ছিল। আমার স্ত্রী, একহাতে সব সামলেছে, ছয়বার সিবিজি করা, হেপারিন দেয়া, সারারাত জেগে স্যাচুরেশন দেখা, কোরআান পড়া, ডাক্তারদের, নার্সদের সহায়তা করা সব করেও সে ছিল অবিচল। আমার আরেক ভরসা ছিলেন ডা এ কে এম মহিউদ্দিন মানিক। আমার ভায়রা তবে নিজের ভাই ই মনে করেন আমাকে। আগলে রেখেছেন পরম মমতায়। সবার জন্য দোয়া।’

‘এনেসথেশিয়ার হেড প্রফেসর কাজল স্যার নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন।মেডিসিনের ডা সাইফ, এনেসথেশিয়ার জাহেদ উল্লাহ, নেফ্রোলজিস্ট ডা রুশনী ভাই ও খোঁজ নিয়েছেন। আইসিইউর ডাক্তার আমার অত্যন্ত স্নেহের ডা মোহাম্মদ আবদুর রহমান চৌধুরী আমার জন্য যে কষ্ট করেছে তা বলে বোঝানো যাবে না। প্রতিদিন সে আমার এবিজি ও লাং আলট্রাসাউন্ড করেছে।নিজের ভাইয়ের মতই যত্ন নিয়েছে সে আমার।আল্লাহ তার ভাল করুক, আমিন।’

জানতে চাইলে ডা. এএসএম লুৎফুল কবির শিমুল সিভয়েসকে বলেন, ‘আমি দুইবার করোনা টেস্ট করিয়েছি দুই বারই নেগেটিভ এসেছে রিপোর্ট। এরপরও শরীর খারাপ হওয়ায় জেনারেল হাসপাতালে না গিয়ে নিজে যেখানে চেম্বার করি সেই ম্যাক্স হাসপাতালে থাকতে চেয়েছি। একটা কেবিন চেয়েছি আর অক্সিজনের ব্যবস্থা করতে বলেছি। তবে হাসপাতল সেটা করেনি।’

তিনি বলেন, ‘আমি সাড়ে ৫ বছর এই হাসপাতালেে চেম্বার করি। আমার স্ত্রীও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে এই ম্যাক্স হাসপাতালে চেম্বার করেন। মনে করেছিলাম নিজ হাসপাতালে আরামে থাকব সিকিউর থাকব। স্ত্রীও যেহেতু চিকিৎসক। কিন্তু ম্যাক্সের আমি শেয়ার হোল্ডার হয়েও এমডি লিয়াকত আলী যা করলেন আমার সাথে তা বলার ভাষা নেই। এবার পাবলিকের সাথে কী আচরণ করছে তারা বুঝে নিন।’

অবশ্য ম্যাক্স হাসপাতালের এমডি লিয়াকত আলী খান তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি ডাঃ লুৎফল কবির শিমুলের অভিযোগকে মিথ্যাচার মনে করেন।

তথ্যসূত্রঃ সিভয়েস/চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাত্র ৩ দিনে ঘরোয়া পদ্ধতিতে করোনা মুক্তির পরামর্শ দিলেন সদ্য করোনা মুক্ত পত্রিকা সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিল্পী

ছাত্র-ছাত্রী ডট কম ডেক্সঃ চট্টগ্রামের জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা “পাঠক নিউজ” এর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিল্পী ঘরোয়া পদ্ধতিতে মাত্র তিন দিনেই করোনাভাইরাস মুক্ত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। জনাব শিল্পী সম্প্রতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন এবং চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল থেকে মাত্র তিনদিনেই করোনামূক্ত হন।

উনার মতে, যদি কারো শরীরে করোনাভাইরাসের সিনট্রম দেখা দেয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জ্বর হলে জ্বরের ঔষধ এবং গলাব্যথা থাকলে ব্যাথার ঔষধ খেলেই চলবে। আসলে করোনাভাইরাসের জন্য আলাদা কোন ঔষধ নেই।

একটি কেতলি বা পাত্রে আড়াই বা তিন গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু ও আদা ছোট ছোট করে কেটে মিশাতে হবে, কয়েকটি তেজপাতা, সামান্য কালিজিরা এবং ১০ টি লং পানিতে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর যদি বাসায় থাকে তাহলে এক চামচ খাটি সরিষার তৈল গরম পানিতে মিশিয়ে সেই পানির ১০ মিনিট ভাপ নাকে মুখে নিতে হবে। এভাবে প্রতিদিন ২/৩ ঘন্টা পর পর ভাপ নিতে হবে।

জনাব শিল্পী পরামর্শ দিয়ে বলেন, যদি কারো করোনার সিনট্রম দেখা দেয় তাহলে হাসপাতালে যাওয়ার চাইতে বাসায় আইসোলেশনে থাকাই উত্তম। বেশী জরুরী না হলে বাসার বাইরে না যাওয়া, ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার বেশী খাওয়া, বাইরে আসাযাওয়া ক্ষেত্রে হ্যান্ডস্যানিটাইজার, সার্জিক্যাল মাক্স ও হ্যান্ডগ্লাভস ব্যবহার নিশ্চিত করা। সর্বোপরি মনোবল শক্ত রাখতে হবে।

প্রিয় পাঠক, করোনা ভাইরাসের জন্মভূমি চীনের প্রতিটি বাড়িতেই কমবেশী আক্রান্ত রোগী আছে। প্রথমদিকে কিছু আতংকিত হলেও এখন আর তারা করোনাকে পাত্তা দিচ্ছেনা। সেখানকার বাসিন্দারা এই ভাইরাসের জন্য কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না। তারা এর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁরা গরম পানির ভাপ দিয়ে ভাইরাসকে বিনাশ করছেন। তাঁরা মাত্র ৩টি কাজ করছেন।

সেগুলো হলোঃ
১. তাঁরা দিনে চারবার কেটলি থেকে গরম পানির ভাপ নিচ্ছেন।
২. দিনে চারবার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করছেন।
৩. আর দিনে চারবার গরম চা পান করছেন।
এভাবে টানা চারদিন এই ৩টি কাজ করেই ভাইরাসটিকে দমন করছেন তাঁরা।
এভাবেই পঞ্চম দিনে হচ্ছেন করোনা নেগেটিভ।

দেখে নিন আপনার জেলায় করোনা আক্রান্ত কতজন?

আজকে ১৫-০৫-২০২০ পর্যন্ত বাংলাদেশে
২০,০৬৫ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৮৮২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং মৃত্যুবরণ করেছে ২৯৮ জন। জেলাওয়ারী আক্রান্তের তালিকাঃ

ঢাকা বিভাগঃ
ঢাকা ——- ৮৪৯০
মুন্সীগঞ্জ ——- ২৮৩
নরসিংদী ——- ১৭৩
নারায়ণগঞ্জ ——- ১৩৪৫
মানিকগঞ্জ ——- ২৯
গাজীপুর ——- ৪০৬
কিশোরগঞ্জ ——- ২০৬
টাঙ্গাইল ——- ৩৫
ফরিদপুর ——- ৪৭
গোপালগঞ্জ ——- ৬৫
শরীয়তপুর ——- ৬৬
মাদারীপুর ——- ৬১
রাজবাড়ি ——- ২৪

চট্টগ্রাম বিভাগঃ
চট্টগ্রাম ——- ৪৯৭
কক্সবাজার ——- ১২৭
বান্দবান ——- ০৫
রাঙামাটি ——- ২৪
খাগড়াছড়ি ——- ০৭
ফেনী ——- ২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ——- ৫৯
নোয়াখালী ——- ৬৯
লক্ষ্মীপুর ——- ৮৯
কুমিল্লা ——- ২২৫
চাঁদপুর ——- ৭৪

রাজশাহী বিভাগঃ
বগুড়া ——- ২৮
পাবনা ——- ১৮
সিরাজগঞ্জ ——- ০৬
জয়পুরহাট ——- ৫৫
রাজশাহী ——- ২৭
নাটোর ——- ১৪
নওগাঁ ——- ৩৩
চাপাইনবগঞ্জ ——- ১৫

খুলনা বিভাগঃ
খুলনা ——- ২৩
সাতক্ষীরা ——- ০৫
বাগেরহাট ——- ০৬
যশোর ——- ৮৯
ঝিনাইদহ ——- ৪৩
নড়াইল ——- ১৫
মাগুরা ——- ২২
কুষ্টিয়া ——- ২৫
চূয়াডাঙ্গা ——- ৪১
মেহেরপুর ——- ০৫

বরিশাল বিভাগঃ
বরিশাল ——- ৫৯
ঝালকাঠি ——- ১৩
পিরোজপুর ——- ০৭
পটুয়াখালী ——- ২৯
বরগুনা ——- ৩৭
ভোলা ——- ১১

সিলেট বিভাগঃ
সিলেট ——- ৩৯
হবিগঞ্জ ——- ১০০
মৌলভীবাজার ——- ৩৭
সুনামগঞ্জ — ৪৩

রংপুর বিভাগঃ
রংপুর ——- ১৫৬
লালমনিরহাট ——- ১৫
কুড়িগ্রাম ——- ৩৯
নীলফামারী ——- ৪৩
গাইবান্ধা ——- ২৫
পঞ্চগড় ——- ১১
দিনাজপুর ——- ৪৬
ঠাকুরগাঁও ——- ২৪

ময়মনসিংহ বিভাগঃ
ময়মনসিংহ ——- ২৬২
শেরপুর ——- ৪০
নেত্রকোণা ——- ৮২
জামালপুর ——- ১১২

সুত্রঃ বিবিসি

পৃথিবীর প্রথম কেভিড শূন্য দেশ

শাকিল আহমেদঃ আশেপাশের সবগুলো দেশই যেখানে কেভিড-১৯ এর আক্রমনে ভীতসন্ত্রস্ত সেখানে এশিয় দেশ ভিয়েতনাম এদিক থেকে অনেকটাই ফুরফুরে মেজাজে আছে বলতে হয়।

পৃথিবীতে করোনা ভাইরাসের জন্মভুমি চীনের সাথে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে টনকিন উপসাগর আর ১১০০ কিলোমিটার স্থলসীমান্ত ভাগ করে নেওয়া সাড়ে ন’কোটির দেশ ভিয়েতনাম আজ থেকে পৃথিবীর প্রথম কোভিডশূন্য দেশ। করোনাভাইরাস তাদের দেশে যে আক্রমন করেনি তা নয় বরং তারা তাদের শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা ও সচেতনতার দ্বারা কেভিডকে জয় করেছে। ভিয়েতনাম সরকার লকডাউন উঠিয়ে দিয়েছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট আক্রান্ত ২৬৮ জন কোভিড পজিটিভ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এখন হাসপাতালে আর কোন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী নেই। একজনও মারা যাননি। একটা রিপোর্টও লুকাতে হয়নি। যেখানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্যমতে এখন পর্যন্ত অধিকাংশ ঝুঁকিপূর্ণ বয়স্করাই ৮৮ বছরের বৃদ্ধা কো-মরবিডে সম্পুর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। একজন ডাক্তার স্বাস্থ্যকর্মীও মারা যাননি চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে। একটা লোকও ক্ষিধের জ্বালায় মরেনি, রাস্তায় চালের জন্যে দাঙ্গা হয়নি, কোন করোনা রোগী চুরি করে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়নি, লকডাউনের সময় আমাদের দেশের মতো কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে লুকোচুরি খেলাও খেলেনি।

ভিয়েতনামীয়দের এই সফলতার হেতু কি? এই প্রশ্নের উত্তর একটাই তা হলো তাদের সচেতনতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ। স্বল্প ক্ষমতায়, নিজেদের সাধ্যমত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে লড়াই করে ভিয়েতনাম কেবল করোনাকে জয়ই করেনি উল্টো চারলাখ PPE তৈরী করে পাঠিয়েছে সেই আমেরিকায় যারা রোজ সকালে ন্যাপামের চাদর বিছিয়ে দিতো সায়গনের ওপর। করোনা সংকটকালে হিংসার জবাব ভালবাসায় দিয়েছে ভিয়েতনাম।

তাদের ডাক্তার-নার্সদের সেবা নিয়ে জনগণের কোন অভিযোগ নেই। হো চি মিন সিটির শহরের দেওয়ালে সরকারি বিজ্ঞপ্তি – “ডাক্তার স্বাস্থ্যকর্মীদের ভালবাসুন। দেশকে ভালবাসুন। বাড়িতে থাকুন। নাম রাপদ থাকুন।”

করোনায় ফারইস্ট ইউনিভার্সিটি ভিসির মৃত্যু

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এফআইইউ) ভাইস চ্যান্সেলর ড. নাজমুল করিম চৌধুরী। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক অধ্যাপক।

বৃহস্পতিবার (৭মে) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি শোক জানিয়েছেন।

আমরা ছাত্র-ছাত্রী ডট কম পরিবারের পক্ষ থেকে এই শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে গভীরভাবেশোকাহ।

সূত্রঃ মানবজমিন