বিষ্ময়কর এক প্রাণি উটের জীবনপ্রনালী

♦♦♦
“উটের দিকে তাকিয়ে দেখেছ, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ?”
(সূরা গাশিয়াহ ১৭)

উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে।
মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে।
কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে।
মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে।
দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়।
উটের মত এত অসাধারণ ডিজাইনের প্রাণী প্রাণীবিজ্ঞানীদের কাছে এক মহাবিস্ময়।

মানুষসহ বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহের তাপমাত্রা সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এর আশেপাশে থাকে।
যদি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৮.৫ ডিগ্রির (১০২ ফা) বেশি হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর ক্ষতি হতে থাকে।
৪০ ডিগ্রির (১০৪ ফা) বেশি হয়ে গেলে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, খাদ্যতন্ত্র ব্যাপক ক্ষতি হয়।
৪১ ডিগ্রি (১০৫ ফা) তাপমাত্রায় শরীরের কোষ মরে যেতে শুরু করে।

একারণেই যখন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়, তখন শরীর ঘেমে বাড়তি তাপ বের করে দিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে যায়।
কিন্তু উটের জন্য এভাবে পানি অপচয় করা বিলাসিতা।
কারণ মরুভূমিতে সবচেয়ে দুর্লভ সম্পদ হচ্ছে পানি।
একারণে উটের শরীরে এক বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।
ভোরবেলা এর শরীরের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকে।
তারপর আবহাওয়া যখন প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি (১০৪ ফা) পর্যন্ত ওঠে।
এর পর থেকে এটি ঘামা শুরু করে।
এর আগে পর্যন্ত এটি পানি ধরে রাখে।
এভাবে প্রতিদিন উট স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে প্রচণ্ড জ্বরের তাপমাত্রা পর্যন্ত সহ্য করে।
এর শরীরের ভেতরে ব্যবস্থা রাখা আছে, যেন তা দিনের পর দিন ভীষণ জ্বর সহ্য করার পরেও অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি না হয়।

উটের রক্ত বিশেষভাবে তৈরি প্রচুর পরিমাণে পানি ধরে রাখার জন্য।
উট যখন একবার পানি পান করা শুরু করে, তখন এটি প্রায় ১৩০ লিটার পানি, প্রায় তিনটি গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্কের সমান পানি, ১০ মিনিটের মধ্যে পান করে ফেলতে পারে।
এই বিপুল পরিমাণের পানি অন্য কোনো প্রাণী পান করলে রক্তে মাত্রাতিরিক্ত পানি গিয়ে অভিস্রবণ চাপের কারণে রক্তের কোষ ফুলে ফেঁপে ফেটে যেত।
কিন্তু উটের রক্তের কোষে এক বিশেষ আবরণ আছে, যা অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে পারে।
এই বিশেষ রক্তের কারণেই উটের পক্ষে একবারে এত পানি পান করা সম্ভব হয়।

উটের কুজ হচ্ছে চর্বির আধার।
চর্বি উটকে শক্তি এবং পুষ্টি যোগায়।
আর পানি শরীরের যাবতীয় আভ্যন্তরীণ কাজকর্ম সচল রাখে, শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে।
একবার যথেষ্ট খাবার এবং পানি নেওয়ার পর একটি উট ছয় মাস পর্যন্ত কোনো খাবার বা পানি পান না করে টিকে থাকতে পারে।

উট হচ্ছে মরুভূমির জাহাজ।
এটি ১৭০-২৭০ কেজি পর্যন্ত ভর নিয়েও হাসিমুখে চলাফেরা করে।
এই বিশাল, শক্তিশালী প্রাণীটির মানুষের প্রতি শান্ত, অনুগত হওয়ার কোনোই কারণ ছিল না।
বরং এরকম স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রাণীর হিংস্র হওয়ার কথা, যেন কেউ তাকে ঘাঁটানোর সাহস না করে।
বিবর্তনবাদীদের বানানো বহু নিয়ম ভঙ্গ করে এই প্রাণীটি কোনো কারণে নিরীহ, শান্ত, মানুষের প্রতি অনুগত হয়ে গেছে।
আল্লাহ যদি উটকে মানুষের জন্য উপযোগী করে না বানাতেন, তাহলে মরুভূমিতে মানুষের পক্ষে সভ্যতা গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে যেত।

উটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা হলো কাটা যুক্ত গাছপালা চিবানোর ক্ষমতা, যা অন্য কোনো প্রাণীর নেই।
বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস এটি সাবাড় করে দিতে পারে।
অন্য কোনো প্রাণী হলে ক্যাকটাসের কাঁটার আঘাতে মাড়ি, গাল, জিভ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যেত।
কিন্তু উটের কিছুই হয় না।
উটের মুখের ভেতরে এক বিস্ময়কর ব্যবস্থা রয়েছে।
এর মুখের ভেতরের দিকটাতে অজস্র ছোট ছোট শক্ত আঙ্গুলের মত ব্যবস্থা রয়েছে, যা কাটার আঘাত থেকে একে রক্ষা করে।
এমন এক জিভ আছে যা কাঁটা ফুটো করতে পারে না।

উটের চোখে দুই স্তর পাপড়ি রয়েছে।
যার কারণে মরুভূমিতে ধূলিঝড়ের মধ্যেও তা চোখ খোলা রাখতে পারে।
এই বিশেষ পাপড়ির ব্যবস্থা সানগ্লাসের কাজ করে মরুভূমির প্রখর রোদের থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং চোখের আদ্রতা ধরে রাখে।
একইসাথে এটি বিশেষভাবে বাঁকা করা যেন তা ধুলোবালি আটকে দিতে পারে।

লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

“র‍্যাগ ডে” নীতিমালা করতে যাচ্ছে ঢাবি প্রশাসন

“র‍্যাগ ডে” বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক বহুল আলোচিত বিষয়। ইউনিভার্সিটি ষ্টুডেন্টদের শিক্ষা সমাপনীতে তারা এই দিবস পালন করে থাকে। ‘র‌্যাগ ডে’ আয়োজনের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে ঢাবি প্রশাসন। এর জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ। ঢাবি উপউপাচার্যকে (প্রশাসন) এই কমিটির আহ্বায়ক রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। দফতরের পরিচালক মাহমুদ আলম বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন।

বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায় র‌্যাগ ডে পালন নামে ক্যাম্পাসে ও আবাসিক হলে অমানবিক, অসৌজন্যমূলক ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো আচরণ যাতে সংঘটিত না হয়, তার প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক নজর রাখার জন্য বলা হয়েছে। ‘শিক্ষা সমাপনী’, গ্র্যাজুয়েশন উৎসব পালনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠান/ উৎসব/ বর্নাঢ্য র‌্যালী ইত্যাদি আয়োজনের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

সেজন্য কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। কমিটিতে আহ্বায়ক প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন), কলা অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিনরা সদস্য এবং সদস্য সচিব থাকবেন প্রক্টর।

একাদশ শ্রেণিতে দ্বিতীয় দফা অনলাইনে ভর্তি আবেদনের শেষ সময় আজ রাত ৮টা

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন গ্রহণ শুরু চলছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদনের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। আর দ্বিতীয় পর্যায়ের আবদনের ফল প্রকাশ হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টাতেই। 

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে পছন্দের কলেজ পেয়েছে ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৭২১ জন শিক্ষার্থী। ১৩ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছিলেন। আবেদন করেও পছন্দের কলেজ পায়নি ৬৪ হাজার ৯৭২ জন। আর ১৪৮টি কলেজ কোন শিক্ষার্থী পায়নি। এছাড়া ২ লাখ ৫১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে ভর্তির আবেদন করেনি। তবে, সিলেকশন না পাওয়া এবং আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ পাবেন।

জানা গেছে, পছন্দক্রম অনুসারে ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। আর দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থেীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন চলবে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে ২য় পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে।

জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে ২০০ টাকা ফি জমা দিয়ে সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে। এছাড়া সোনালী সেবা ও সোনালী ওয়েব পেমেন্টের মাধ্যমে ২০০ টাকা ভর্তি নিশ্চায়ন ফি দেয়া যাবে 

গত ৯ আগস্ট সকাল সাতটা থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়। ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম শেষ হবে।

তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ চলবে ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর। পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল এবং ৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।

তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে আর কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায়। ভর্তি চলবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

জানা গেছে, চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল ৯৫ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থী। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আলাদাভাবে এইচএসসি ভোকেশনাল, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও বিভিন্ন ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির আবেদন গ্রহণ করছে।

সে হিসেবে এসএসসি ও দাখিল পাস করেছে ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৯২৮ জন। যাদের মধ্যে ১৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৯৩ জন প্রথম ধাপে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেছিলেন। সে হিসেবে ২ লাখ ৫১ হাজার ৯৩১ জন শিক্ষার্থী ১ম ধাপে এইচএসসি বা আলিমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেননি।

কার্টেসীঃ দৈনিক শিক্ষা

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তি!

করোনা পরিস্থিতিতে স্থগিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে সোস্যাল মিডিয়ায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে কিছু ভুয়া ফেসবুক পেইজে এসব বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। একইভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছিলো জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা নিয়েও।

এসব গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ শনিবার সকালে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া ফেসবুকে পেইজ ও প্রোফাইল খুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাল্পনিক তারিখ ঘোষণা করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে এবং কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা নেওয়ার উপযুক্ত পরিস্থিতি হলে তারিখ গণমাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে ভুয়া কোনও পেইজের বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য বিশ্বাস না করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। কোন গুজবে কান না দিয়ে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের ভেরিফাইড পেইজে সঠিক সংবাদ পাওয়া যাবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা ছিল। সেই ছুটি বৃদ্ধি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে, কেবিনেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কওমি মাদরাসার ডিগ্রি লেভেলের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোহ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ছুটির এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে। প্রথমে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটি বৃদ্ধির ঘোষণা করা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ৩ অক্টোবর করা হয়।

এই সময়ে কওমি মাদরাসার পরীক্ষা ছাড়া দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব রকমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কিন্ডারগার্টেন ও কোচিং সেন্টারও বন্ধ থাকবে।

কার্টেসীঃ দৈনিক শিক্ষা

জেএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

জেএসসি, জেডিসি এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে অনুমান নির্ভর রিপোর্ট করতে ‘না’ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (১২ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা অনুষ্ঠান হওয়া নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অনুমান নির্ভর কোনো সংবাদ বা গুজব আমলে না নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা হচ্ছে না মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এই বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তির সৃস্টি হয়েছে। বিশ্বব্যাপী কোভিড নাইনটিনের মহামারিকে বিবেচনায় নিয়ে জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চেয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞরা তাদের পর্যবেক্ষণসহ কিছু বিকল্প প্রস্তাব প্রদান করেছেন। মন্ত্রণালয় প্রস্তাবসমূহ পর্যালোচনা করছে। ইতোমধ্যে কিছু গণমাধ্যমে উল্লেখিত বিষয়ে সারসংক্ষেপ প্রণয়ন করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও জানান, অন্যদিকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠানের তারিখ নিয়েও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কল্পিত তারিখ প্রকাশ করা হয়েছে। করোনা মহামারিকে বিবেচনায় নিয়ে জেএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন বিকল্প নিয়েই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভাবছে। এই বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগের কথা বিবেচনা করে শীঘ্রই সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। যা ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। অসমর্থিত কোনো মাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্য, আজ ১২ আগস্ট দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক সমকাল ও দৈনিক কালের কণ্ঠসহ একাধিক জাতীয় পত্রিকা, একাধিক অনলাইন ও টেলিভিশনে সেপ্টেম্বর মাসে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে মর্মে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ লিখেছে সেপ্টেম্বরের শেষে অথবা অক্টোবরের শুরুতে।

কার্টেসীঃ দৈনিক শিক্ষা

বাতিল হতে পারে এবারের পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা

ডেক্স রিপোর্টঃ বাতিল করা হতে পারে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা। একই সঙ্গে বাতিল করা হতে পারে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। তবে সব কিছুই নির্ভর করবে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের উপর।

করোনা পরিস্থিতির কারণে এই দুই পরীক্ষা বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এখনো চুড়ান্ত অনুমোদন হয়নি। গত সপ্তাহে এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের উপস্থিতিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর ভিত্তিতে উভয় মন্ত্রণালয়ে পৃথক দুটি সারসংক্ষেপ তৈরি হচ্ছে। আগামী রোববারের মধ্যে এটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হতে পারে। (সূত্রঃঃ সময়ের কন্ঠস্বর)

৯ আগষ্ট থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম শুরু

আগামী ৯ আগস্ট থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।

রবিবার বিকালে (১৯ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক এ তথ্য জানান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বছর আবেদন শতভাগ অনলাইনে নেয়া হবে। একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসী ও বিকেএসপি কোটা বহাল রেখে অন্যান্য কোটা বাতিল করা হয়েছে। এবারও সর্বোচ্চ ১০টি পছন্দের কলেজ বা মাদরাসায় আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এর জন্য নেয়া হবে ১৫০ টাকা। ফলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আর এসএমএস করে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে না। আগে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে প্রতিটি আবেদনে ১২০ টাকা ফি নেয়া হতো।

শতভাগ মেধা কোটা ছাড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিশেষ কোটা হিসেবে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, শূন্য দশমিক ৫ বিকেএসপি এবং শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ প্রবাসী কোটা বহাল রেখে বিভাগীয় ও জেলা সদর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধস্তন দপ্তরগুলোর কোটা বাতিল করা হয়েছে।

কার্টেসীঃ সময়ের কন্ঠস্বর

শিক্ষার আলো বেদে পরিবারে

যাযাবরে জীবনে বেদে সন্তানদের সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার সুযোগ তেমন হয়না। যাযাবরে জীবন সত্ত্বেও সন্তানকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করার জন্য টাকা পয়সার চাইতে মানসিক সিদ্ধান্তই যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ কথা প্রমাণ করে দিলেন, বেদে সর্দার আশরাফ আলী। আশরাফ আলীর তিন সন্তানের হিফয পড়া নিয়ে তৈরি করা প্রতিবেদনটি
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য “সময়ের কন্ঠস্বর” এর সৌজন্যে তুলে ধরা হলো।

ঝালকাঠির সুগন্ধা, বিষখালী ও গাবখান নদীর মোহনায় প্রস্তাবিত ইকোপার্কে অস্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছে অনেকগুলো বেদে পরিবার। কয়েকটি বহর নিয়ে এখানে তারা আশ্রয় নিয়েছেন।

তারই একটি বহরের সর্দার মো. আশরাফ আলী (৩৫)। ১৮ বছর বয়সে তিনি দাম্পত্য জীবন শুরু করেন। ইতোমধ্যে তাদের সংসারে ৪ ছেলের জন্ম হয়। বড় ছেলে আশিক আহমেদ স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন, মেজ ছেলে আতিকুল ইসলাম কোরআনের হাফেজ ও যাত্রাবাড়ী কওমি মাদরাসার ছাত্র।

তৃতীয় জন মো. হুসাইন আহমেদ (১৪) কোরআন দেখে শুদ্ধভাবে পড়া শিখে (ক্বারিয়ানা) এখন পঞ্চম পারায় হেফজ পড়ছে। আর ছোট ছেলে হাসান আহমেদ (১২) কোরআন দেখে শুদ্ধভাবে (ক্বারিয়ানা)পড়তে পারে।
বেদে বহরে কখনও ডাঙায় আবার কখনও পানিতে বসবাস করে পূর্ব পুরুষের ন্যায় তাদের জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। সাধারণত বেদেরা নিরক্ষর হয়ে থাকে। সেখানে ৪ সন্তানের মধ্যে ৩ জনকে মাদরাসা শিক্ষায় সুশিক্ষিত করে ব্যতিক্রমী নজির সৃষ্টি করছেন সর্দার মো. আশরাফ আলী।

মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার গোয়ালিমন্ডার গ্রামের মো. মোসলেম আলী সর্দারের ছেলে আশরাফ আলী। তিনিও বেদেদের একটি বহরের সরদার। বংশ পরম্পরায় বেদে হিসেবে যাযাবর থেকেই তারা জীবনযাপন করছেন।

আশরাফ আলী জানান, জন্ম থেকেই নৌকায় বসবাস করে আসছি। শিক্ষা অর্জন ভাগ্যে জোটেনি। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই আরেক বেদের মেয়ে ফরিদা বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয়। যেখানে নৌবহর গিয়ে থামে সেখানেই ডাঙায় স্থান নিই আমরা। ওই এলাকা ও পার্শ্ববর্তী গ্রামে ঘুরে কড়ি, মালা, মাদুলি বিক্রি করি।

তিনি বলেন, প্রথম সন্তান আশিক আহমেদের বয়স যখন ৫ বছর হয় তখনই তাকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু আশিকের অনাগ্রহের কারণে আর সম্ভব হয়নি। এরপর দ্বিতীয় সন্তান মো. আতিকুল ইসলাম পৃথিবীতে আসে। তাকে মাদরাসায় পড়িয়ে কোরআনের হাফেজ বানিয়েছি। সে এখন ঢাকায় যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি কওমি মাদরাসার ছাত্র।

এরপর তৃতীয় সন্তান হুসাইন আহমেদের জন্ম হয়। তার দুই বছর পরই জন্ম হয় মো. হাসান আহমেদের। আমাদের সঙ্গে থেকেই তারা বড় হতে শুরু করে। প্রত্যেককে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা দিয়ে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার বাইপাস মোড়ে বেলায়েত ক্বারীর মাদরাসায় ভর্তি করে দিই। সেখানে তারা শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া কওমি মাদরাসায় কোরআন শিক্ষা নিচ্ছে।

শিক্ষার খরচের বিষয়ে আশরাফ আলী জানান, আমরা গরিব মানুষ। সেভাবে খরচ দিয়ে চালাতে পারি না। যা পারি তা মাদরাসা প্রধানের কাছে দিই। বাকিটা তিনিই ব্যবস্থা করে চালিয়ে নেন।

কোরআন শিক্ষা দেয়ার উদ্যোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা গরিব হলেও তো মুসলমান। পেশার দিক থেকে আমরা তেমন ধর্ম পালন করতে পারি না। তাই ছেলেদেরকে কুরআন শিক্ষা দিতে শুরু করেছি। মরার পরে যেন ওরা আমাদের জন্য দোয়া করতে পারে। ওরাই এখন আমার আশা-ভরসার স্থল।

আশরাফ আলীর সন্তান হুসাইন আহমেদ জানায়, ২০১৭ সালের জুলাই মাসে কুরআন শেখা শুরু হয় তার। রাজাপুর দারুল উলুম কওমী (বেলায়েত ক্বারীর মাদরাসা নামে খ্যাত) মাদরাসায় প্রথম ছবক নেয় সে। ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে কুরআন দেখে শুদ্ধভাবে পড়া শিক্ষা (ক্বারিয়ানা) সম্পন্ন করে ১ ডিসেম্বর কুরআন মুখস্ত করে (হিফজ) পড়া শুরু হয়। এরপর ভান্ডারিয়া ধাওয়া কওমি মাদরাসায় ভর্তি হলে সেখানে বর্তমানে ৫ম পারার ১৯পৃষ্ঠায় হেফজ পড়ছে সে। গত রমজানে বরগুনা জেলার বামনা লঞ্চঘাট সাহেবের বাড়ি জামে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়িয়েছে বলেও জানায় হুসাইন।

আরেক ভাই হাসান আহমেদ জানায়, বড় ভাই যেখানে গিয়ে পড়ে আমিও তার সঙ্গে সঙ্গে থাকি। রাজাপুর দারুল উলুম কওমি মাদরাসায় প্রথম ছবক নিই। বর্তমানে ভান্ডারিয়া ধাওয়া কওমি মাদরাসায় কোরআন দেখে শুদ্ধভাবে (ক্বারিয়ানা) ২৭তম পারায় পড়ছি।

কোরআন শিক্ষা নিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করে তারা জানায়, আমাদের সবাই স্নেহ করে ও ভালোবাসে।

এইচএসসি পরীক্ষায় সাবজেক্টের সংখ্যা কমে যেতে পারে

করোনা ভাইরাসের জন্য আটকে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা কমানো এবং কম সময়ে নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

গতকাল শনিবার (২৭ জুন) শিক্ষা বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল সেমিনারে এ ভাবনার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বছরের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ তারা তো তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন হতে পারে যে, পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং এত লাখ লাখ পরিবার, এত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, এত প্রশাসনের মানুষ, এত শিক্ষক- সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? তাহলে সেটি আমরা কম সময়ে করতে পারি কি-না? কম সংখ্যক পরীক্ষা নিতে পারি কি-না? আমরা সবকিছুই ভাবছি।’

করোনা পরিস্থিতি ‘অনুকূলে’ আসার ১৫ দিন পর পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার নেওয়ার পূর্ণ প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। আমি আগেও বলেছি যখনই অনুকূল পরিস্থিতি হবে তার ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিতে পারব। এ ১৫ দিন শিক্ষার্থীদের নোটিশ দিতে হবে। তাদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে।’

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা স্থগিত করা হয়। এরপর থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বন্ধ।

সূত্রঃ সময়ের কন্ঠস্বর