শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ রোভার গ্রুপের সাদেক সিনিয়র রোভারমেট ও আসাদ সহকারী সিনিয়র রোভারমেট

গতকাল ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ রোভার দলের এক বিশেষ ক্রু-মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।

কলেজ রোভার গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট মোঃ সালাহউদ্দিন এর পরিচালনায় উক্ত ক্রু-মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন কলেজ রোভার গ্রুপের সম্পাদক ড. জাকির হাওলাদার। বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনার পর ড. জাকির উক্ত ক্রু-মিটিংয়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে মোঃ সাদেকুর রহনানকে কলেজ রোভার দলের নতুন সিনিয়র রোভারমেট এবং আসাদুজ্জামান নুরকে সহকারী সিনিয়র রোভারমেট হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করার ঘোষণা দেন।

বিদায়ী সিনিয়র রোভারমেট মোঃ সালাহউদ্দিন এর দীর্ঘদিনের সুচারুরূপে দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়।

ভাষা আন্দোলনের অজানা ইতিহাস

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্যে কেবল ভাষা দাবী আদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলোনা। এই আন্দোলনের মধ্যেই স্বাধীনতার বীজ বপিত হয়েছিলো বলে মনা করা হয়ে থাকে।

১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে এই দিনটিকে শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এই ইতিহাস বাংলাদেশের অনেকেরই জানা। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরির পেছনে রয়েছে আরও অনেক সংগ্রামের ইতিহাস।

ভাষা থেকে যেভাবে আন্দোলনের সূচনাঃ ১৯৪৭ সালে যখন দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়েছিল তার আগেই আসলে শুরু হয়েছিল ভাষা নিয়ে বিতর্ক।

ভাষা সৈনিক আবদুল মতিন ও আহমদ রফিক তাদের ভাষা আন্দোলন-ইতিহাস ও তাৎপর্য বইয়ে লিখেছেন, “প্রথম লড়াইটা প্রধানত ছিল সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনেই সীমাবদ্ধ”।

এই বইটির বর্ণনা অনুযায়ী দেশভাগের আগেই চল্লিশের দশকের শুরুতেই সাহিত্যিকরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। সেসময় বাঙালী মুসলমান সাহিত্যিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদদের মধ্যে বাংলা, উর্দু, আরবি ও ইংরেজি এই চারটি ভাষার পক্ষ-বিপক্ষে নানান মত ছিল।

আবদুল মতিন ও আহমদ রফিক লিখেছেন, “ভাষা আন্দোলন বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়।…….এর সূচনা মূল আন্দোলন শুরু হওয়ার কয়েক দশক আগেই এবং বাঙালি মুসলমানের সেকুলার জাতিয়তাবোধ এর পেছনে কাজ করেছে।”

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটঃ পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠন নিশ্চিত হওয়ার পর উর্দু-বাংলা বিতর্ক আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। সেসময়কার গুরুত্বপূর্ন ‘মিল্লাত’ পত্রিকায় এক সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছিল, “মাতৃভাষার পরিবর্তে অন্য কোন ভাষাকে রাষ্ট্রভাষারূপে বরণ করার চাইতে বড় দাসত্ব আর কিছু থাকিতে পারে না।”

ধীরে ধীরে অর্থনীতি ও রাজনীতিও সেই বিতর্কের অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে দৈনিক আজাদি পত্রিকায় লেখক সাংবাদিক আবদুল হক লিখেছিলেন, “উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেকটি উর্দু-শিক্ষিতই চাকুরীর যোগ্যতা লাভ করবেন, এবং প্রত্যেকটি বাংলা ভাষীই চাকুরীর অনুপযুক্ত হয়ে পড়বেন”।

বাংলাভাষীদের আরও উদ্বেগ ছিল দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি ভূখণ্ডের মানুষের সাংস্কৃতিক পার্থক্য নিয়ে। শুধু ধর্ম তাদের মধ্যে কতটুক যোগসূত্র স্থাপন করতে পারবে সেনিয়ে ভাবনা ছিল অনেকের।

অবিশ্বাসের বীজ বপনঃ ১৯৪৭ সালে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর জিয়াউদ্দিন আহমেদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেছিলেন। তখন ভাষা নিয়ে বিতর্ক আবারো জেগে উঠেছিলো। ততদিনে মুসলিম বাঙালীদের আত্ম-অন্বেষণ শুরু হয়ে গিয়েছিলো।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের কয়েক মাসের মধ্যেই পাকিস্তানের প্রথম মুদ্রা, ডাকটিকেট, ট্রেনের টিকেট, পোস্টকার্ড ইত্যাদি থেকে বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দু ও ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয়। পাকিস্তান পাবলিক সার্ভিস কমিশনের এই ঘোষণায় পর ঢাকায় ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীদের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কমিশনের বাঙালী কর্মকর্তারা সরকারি কাজে বাংলা ভাষার প্রয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছিলেন। পাকিস্তান গঠনের সময় পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী, পরবর্তীতে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৪৮ সালে আইন পরিষদের অধিবেশনে বলেছিলেন, ভাষা সম্পর্কিত বিতর্ক শুরু হওয়ার আগেই এসব ছাপা হয়ে গেছে। যদিও তার এই বক্তব্য সবাই গ্রহণ করেনি।

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠনঃ সেসময় বুদ্ধিজীবীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে মাতৃভাষার পরিবর্তে উর্দু চাপিয়ে দিলে বাংলাভাষী পরবর্তী প্রজন্ম অশিক্ষিত হয়ে পড়বে, বাংলা ভাষার সত্ত্বা ঝুঁকিতে পরবে। স্বাধীনভাবে মাতৃভাষার চর্চার ক্ষেত্রে এটিকে বড় আঘাত বলে মনে করা হয়েছে।

এসব বিষয়ে বাঙালির মনে ক্ষোভের অনুভূতি তখন থেকেই দানা বাঁধতে থাকে। সেই সালেই শেষের দিকে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।

সেসময়কার একটি ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন তমদ্দুন মজলিসের নূরুল হক ভূঁইয়া, তৎকালীন সংসদ সদস্য সামসুল হক, পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা অলি আহাদ, পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ তোয়াহা সহ অনেকেই এর সদস্য ছিলেন যারা শুরুতে গোপনে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।

জিন্নাহ ও তার অনমনীয় অবস্থানঃ তৎকালীন পাকিস্তান রাষ্ট্রে বাংলাভাষীরা উর্দুভাষীদের চেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। তারপরও ১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ পূর্ব পাকিস্তান সফরে এসে রেসকোর্স ময়দানে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এক সমাবেশে স্পষ্ট ঘোষণা করেছিলেন যে ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা’।

সেই সমাবেশেই উপস্থিত অনেকেই সাথে সাথে প্রতিবাদ করে ওঠেন। এই ঘোষণাকে বলা যেতে পারে নতুন রাষ্ট্র সম্পর্কে বাঙালীর স্বপ্নভঙ্গের সূচনা। জিন্নাহ উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপারে শুরু থেকে অনমনীয় মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার পেছনে বাঙালীদের উপর রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক প্রভুত্ব কায়েম করা ও শোষণের অভিসন্ধি বলে মনে করা হয়েছিল। বাঙালীদের মনে পাকিস্তানের প্রতি অবিশ্বাসের ভীত তৈরি হয়েছিল।

ভাষা ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য আরও জোরালোভাবে প্রতীয়মান হচ্ছিল। ধর্ম নয় বরং বাঙালী জাতিয়তাবাদের ধারনা স্পষ্ট হতে শুরু করেছিল। অন্যদিকে তখনকার উর্দুভাষীরা বাঙালীর সংস্কৃতিকে ‘হিন্দুয়ানী’ বলে মনে করাটা বাংলা ভাষার প্রতি তাদের বিতৃষ্ণার আরেকটি কারণ।

ভয়ঙ্কর অগ্নি স্ফুলিঙ্গের জন্মঃ জিন্নাহ’র মৃত্যুর পরও রাষ্ট্রভাষা নিয়ে নানা রকম প্রস্তাব, পাল্টা প্রস্তাব চলতে থাকে। দেশভাগের পর থেকে ১৯৫২ সালের শুরু পর্যন্ত বাঙালীরা জোরালোভাবে রাষ্ট্রভাষা উর্দু সম্পর্কে তাদের বিরুদ্ধ মনোভাব ব্যক্ত করে গেছেন।

প্রতিক্রিয়া হিসেবে থেমে থেমে আন্দোলন চলেছে। তবে এই আন্দোলনে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অগ্নি স্ফুলিঙ্গের জন্ম হয় যখন বায়ান্নর ২৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের অ্যাসেম্বলিতে উর্দুকেই একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

পূর্ব-বঙ্গের অধিবাসী হওয়া সত্ত্বেও ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকায় সফরে এসে খাজা নাজিমুদ্দিন পল্টনে এক সমাবেশে জিন্নাহ’র কথাই পুনরাবৃত্তি করেন। সেসময়ও একইভাবে জোরালো প্রতিবাদে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগান ওঠে।

একুশে ফেব্রুয়ারির দিনটিতে যা ঘটেছিলঃ বলা হয়ে থাকে রাজনৈতিক কারণে নেয়া খাজা নাজিমুদ্দিনের অবস্থান ও তার বক্তব্য ভাষা আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। তার ঘোষণায় পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের মনে বঞ্চনার অনুভূতি আরও জোরালো হয়ে জেগে ওঠে।

খাজা নাজিমুদ্দিনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে পরদিন থেকে পূর্ব-পাকিস্তানে শুরু হয় স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট ও বিক্ষোভ মিছিল। যাতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ভাসানীর নেতৃত্বে সম্মেলনে অংশ নেন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং পেশাজীবী সম্প্রদায়ের মানুষজন। ২১শে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়েছিল। ধর্মঘট প্রতিহত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিলো। যা লঙ্ঘন করেই জন্ম হয়েছিল শহীদ দিবসের।

১৯৫২ সালের সেই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র হিসেবে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্মরত ছিলেন মুহাম্মদ মাহফুজ হোসেন। বছর তিনেক আগে বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাতকারে তার বর্ণনায় ফুটে উঠেছে সেদিনকার চিত্র।

সেই সাক্ষাতকারে তিনি বলেছিলেন, “একুশে ফেব্রুয়ারি দুপুরে গুলিবিদ্ধ তিনজনকে হাসপাতালে গ্রহণ করি আমি। কপালে গুলিবিদ্ধ রফিককে দেখেই মৃত ঘোষণা করা হয়, আর উরুতে গুলিবিদ্ধ বরকত মারা যান রাতে, আমার চোখের সামনেই।”

তিনি বলছিলেন, “আমরা তখন বাইরে থেকে বহু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমরা শুনেছিলাম বহু মানুষ গুলিতে আহত হয়েছে। মুহূর্তেই ইমারজেন্সি ওয়ার্ড পূর্ণ হয়ে যায়। আহতদের অনেকেই মুমূর্ষু, তাদের সঙ্গে আসা মানুষজন আর চিকিৎসকে ঠাসাঠাসি হয়ে যায় জরুরী বিভাগ।”

ভাষা আন্দোলনে কতজন শহীদ হয়েছিলেন সেবিষয়ে সঠিক সংখ্যা এখনো পাওয়া যায় না। সেদিন এবং পরদিন পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার এবং শফিউর ছাড়াও আরো অনেকে শহীদ হয়েছিলেন বলে ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন বইয়ে উঠে এসেছে।

এই হত্যাকাণ্ড মাতৃভাষার অধিকারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনকে দমিয়ে দেয়নি। এই আন্দোলনেই পরিষ্কার হয়ে উঠেছিল যে দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি ভূখণ্ডের দুটি ভিন্ন ভাষার জাতিসত্তাকে মিলিয়ে সৃষ্টি করা রাষ্ট্রের অধিবাসীদের মনে এক হওয়ার অনুভূতি সম্ভবত জাগ্রত হবে না।

তবে এই ঘটনার পরও দুই বছরের বেশি সময় পরে, ১৯৫৪ সালের ৭ মে পাকিস্তান সংসদ বাংলাকে একটি রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকার করে প্রস্তাব গ্রহণ করে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি কার্যকর হতে লেগেছিল আরও দুই বছর। মাতৃভাষা নিয়ে এই আন্দোলনেই বীজ বপন হয়েছিল পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের।

তথ্যসূত্রঃ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এই প্রবন্ধটি বিবিসি বাংলার সৌজন্যে প্রকাশিত

শীঘ্রই খুলতে যাচ্ছে চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষার জট

ছাত্র-ছাত্রী ডট কম ডেক্সঃ করোনাকালীন লকডাউন ও তৎপরবর্তীকালে অবস্থার উন্নতি বা হওয়ায় দেশের সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানেই লোক নিয়োগ বন্ধ হয়ে যায়। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আবারও পুরোনো রূপে ফিরতে শুরু করেছে চাকরির বাজার। স্থগিত হওয়া প্রায় সব পরীক্ষাই আগামী অক্টোবর মাস থেকে শুরু হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ইতোমধ্যে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আওতায় সরকারি মাধ্যমে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া স্থগিত হওয়া ৭টি ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিও আগামী অক্টোবরে প্রকাশিত হবে। ফলে চাকরিপ্রত্যাশীদের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

অপরদিকে কোভিড-১৯ এর শুরু থেকেই দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধস নেমেছে। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও কর্মী ছাটাইয়ের খবরে হতাশ হয়েছেন লাখ লাখ বেকার তরুণ-তরুণীরা। কর্মী ছাটাইয়ের তালিকা থেকে বাদ যায়নি দেশের প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে প্রথম সারির গণমাধ্যমও। ফলে যারা সরকারি চাকরির পেছনে না ঘুরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভেবেছিলেন তারা চরম হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন।

করোনা কারণে পিএসসির ৪১তম বিসিএসের প্রিলি পরীক্ষা ছাড়াও ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল আটকে গেছে। এছাড়া খাদ্য অধিদপ্তর ও দুদকের পরীক্ষা, ব্যাংকের পরীক্ষা, ব্যান্সডকের লিখিত পরীক্ষা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ বেশ কয়েকটি নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে।

জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরেরে অফিস সহায়ক, কনস্টেবলসহ কয়েকটি পদের আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। তবে করোনার কারণে পরীক্ষা বা নিয়োগ কার্যক্রম চালাতে পারছে না অধিদফতর। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেগুলোর কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে এসব নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনেও (পিকেএসএফ) বিভিন্ন শূন্যপদে জনবল নিয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন কোন সার্কূলার না থাকায় বেকার শিক্ষিত যুবকদের মাঝে যে হতাশা বিরাজ করছে, এমন সংবাদে তাদের মাঝে কিছুটা প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

চাকরিতে আবেদনের বয়স সীমা বাড়ছে!

ছাত্র-ছাত্রী ডট কম ডেক্সঃ করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত তিনমাস যাবৎ সরকারি-বেসরকারী চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি স্থগিত রয়েছে। এর ভেতরে চাকরিতে আবেদন করার বয়স হারাতে বসেছে অনেকেই। জানা গেছে এই বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। দেশে করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে যাদের সরকারি চাকরির বয়স পার হয়েছে, তাদের বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সময়মতো সেই প্রস্তাব সরকারপ্রধানের কাছে পাঠানো হবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলছেন, “ভাইরাস সঙ্কটের মধ্যে যারা চাকরির বয়স হারিয়েছেন তাদেরকে জন্য কী করা যায়, আমরা সেই চিন্তা করছি।” সাধারণ প্রার্থীরা ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা ৩২ বছর বয়স পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগের আবেদন করতে পারেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের জন্য বয়স শিথিল করা হলে তা বিজ্ঞপ্তিতেই বলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এর বিস্তার বাড়তে থাকায় গত ২৬ মার্চ থেকে টানা

৬৬ দিন সাধারণ ছুটির মধ্যে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তার আগে গত ডিসেম্বর থেকে চাকরিতে নিয়োগের নতুন কোনো বিজ্ঞপ্তি দেয়নি কমিশন। তবে ৩০ মে সাধারণ ছুটি শেষে জুনের প্রথম সপ্তাহে নন-ক্যাডারে বেশ কয়েকটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পিএসসি; সেখানে বয়সের সর্বোচ্চ সীমা ৩০ বছর নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে গত ১ জুন পর্যন্ত। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যারা ২৬ মার্চের আগে আবেদন করেছেন তাদের পরীক্ষা যত দেরিতেই হোক না কেন কোনো সমস্যা নেই। দুই বছর পরে পরীক্ষা হলেও

তাদের কোনো সমস্যা নেই। ভাইরাস সঙ্কট: চাকরির বয়স বিবেচনার আশ্বাস “একটা শ্রেণি আছে যারা এরমধ্যে চাকরির বয়স হারিয়ে ফেলেছেন। আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করব। এই সঙ্কটের মধ্যে সবাইকেই তো কিছু কিছু প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। যারা চাকরির বয়সটা হারিয়ে ফেলেছেন তাদের জন্য একটা কিছু করা যায় কি না, আমরা সেই চেষ্টা করছি।” এই মহামারীর মধ্যে যাদের সরকারি চাকরির বয়স চলে গেছে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন মিললে তাদের ক্ষেত্রে কী হতে পারে সে বিষয়েও একটা ধারণা দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। “বলা যেতে পারে যে, গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত বয়স ৩০ বছর হতে হবে বা এ রকম

কিছু একটা। তাতে তারা পরীক্ষাগুলো দিতে পারবে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেব, তিনি সম্মতি দিয়ে দিকনির্দেশনা দিলে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। তবে এখনও সেই সময় আসেনি, সময় এলে আমরা প্রস্তাব পাঠাব।” এই মহামারীর মধ্যে সরকার সবাইকে মানবিকভাবে দেখছে বলেও মন্তব্য করেন ফরহাদ। সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে গত কয়েক বছর ধরেই আন্দোলন করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। তবে শেষ পর্যন্ত তা সরকারের সাড়া পায়নি। কারোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে গেলে আগামী নভেম্বর মাসে বিসিএসের পরীক্ষাগুলো নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছেন

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলছেন, “স্থগিত হওয়া সরকারি চাকরির অন্য নিয়োগ পরীক্ষাগুলো কবে নেওয়া হবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। কবে সেই পরীক্ষাগুলো নেওয়া যাবে এখনই তা বলা যাচ্ছে না।” গত ৩১ ডিসেম্বরের পর কয়েকটি নিয়োগ পরীক্ষার আংশিক অর্থাৎ প্রিলিমিনারি, লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষার ফল পিএসসি প্রকাশ করলেও করোনাভাইরাস সঙ্কটের কারণে বেশিরভাগ নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। অন্য পদগুলোতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়োগ সম্পন্ন করে।

কার্টেসীঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

জাতীয় স্মৃতিসৌধের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিকে চেনেন?

সায়েদ কবিরঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটাকে কেউ চেনেন? তিনি বাংলার গর্বিত সন্তান জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন (জন্ম: ৫ মে, ১৯৫২ এবং মৃত্যু: ১০ নভেম্বর, ২০১৪।) এই মহান ব্যক্তির শেষ জীবনটা কত কষ্টের ছিল তা বর্ণনাতীত।

১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের লক্ষ্যে নকশা আহ্বান করে। বিভিন্ন নকশাকারদের পাশাপাশি ২৬ বছরের তরুণ স্থপতি মাইনুল ইসলাম স্মৃতিসৌধের নকশা জমা দেন। প্রায় ১৭-১৮ জন প্রতিযোগীর ৫৭টি নকশার মধ্যে তাঁর প্রণীত নকশা গৃহীত হয় এবং তাঁর করা নকশা অনুসারেই ঢাকার অদূরে সাভারে নির্মিত হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধ। উল্লেখ্য যে, তিনি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে
প্রথম শ্রেণীতে স্থাপত্য বিদ্যা পাশ করেন তিনি৷

অথচ জাতির এই কৃতি সন্তানের শেষ জীবনটা খুব কষ্টে কেটেছে। এতো বড়মাপের রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও শেষ জীবনে তাঁর চিকিৎসা তো দূরে থাক, সামান্য খোঁজটাও নেয়নি তেমন কেউ। যেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অপরাধ(!) ছিল ৭টা স্তম্ভে একটা জাতির সবচেয়ে গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরা। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং তাঁর ডায়াবেটিস ছিল মারাত্মক অনিয়ন্ত্রিত। রক্তচাপও ছিল খুব কম। শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে নেওয়ার পরপর চিকিৎসা দেওয়া হলেও আর তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ভাবতেও অবাক লাগে সৈয়দ মাইনুল হোসেনের স্থাপত্য ‘জাতীয় স্মৃতিসৌধ’ এর ডিজাইন করার সম্মানী পাবার কথা ছিল ২ লাখ টাকা, আয়কর চাওয়া হয়েছিল এর ৫০%, অর্থাৎ এক লাখ টাকা। ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এরশাদ জাতীয় স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন করেন। সেই জাতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই মহান মানুষটাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। রাষ্ট্রীয় ভিভিআইপিরা চলে যাওয়ার পর তিনি সেখানে গিয়ে জনতার কাতারে দাঁড়িয়ে দেখেছিলেন তাঁর অমর সৃষ্টি।

১৯৭৬ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সৈয়দ মাইনুল হোসেন ৩৮টি বড় বড় স্থাপনার নকশা করেছেন৷ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
জাতীয় স্মৃতিসৌধ (১৯৭৮)
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর (১৯৮২)
ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ও ভোকেশনাল ট্রেনিং ইস্টিটিউট (১৯৭৭)
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবন (১৯৭৮)
চট্টগ্রাম ইপিজেড এর অফিস ভবন (১৯৮০)
শিল্পকলা একাডেমীর বারো’শ আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম
উত্তরা মডেল টাউন (আবাসিক প্রকল্প (১৯৮৫)

পুরস্কার পেয়েছেন একুশে পদক, শেলটেক পদক।

স্থাপত্যকর্মে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার মধ্য দিয়ে সৈয়দ মাইনুল হোসেন আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন চিরকাল।

ছবি ও তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

লেখকঃ সায়েদ কবির,
চতুর্থ বর্ষ, অ্যাপ্লাইড আর্ট শাখা,
চারুকলা ইনস্টিটিউট,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা স্থগিত

১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০২০ এর প্রিলিমিনারী টেস্ট ও লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) এর পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন কমিটির সদস্য (যুগ্মসচিব) জনাব এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি মারফত এ কথা জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরোও বলা হয় যে, নতুন সময়সূচি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

বিজ্ঞপ্তিটি নিচে দেখুনঃ

ব্যাংক জবে আগ্রহীদের জন্য

ব্যাংক জবে যারা আগ্রহী তারা নিয়োগবিজ্ঞপ্তি, আবেদনের নিয়ম, পরীক্ষার তারিখ, প্রবশপত্র ইত্যাদি জানতে নিচের লিংকগুলো থেকে খবরাখবর পেতে পারন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব কোন সার্কুলার দিয়েছে কিনা জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন
https://erecruitment.bb.org.bd/career/jobopportunity.php
ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে কোনও সার্কুলার হয়েছে কিনা জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন
https://erecruitment.bb.org.bd/care…/jobopportunity_bscs.php

তফশিলী ব্যাংকসমূহের ওয়েবসাইটসমূহঃ
————————–
1) AB Bank Limited
http://www.abbl.com
2) Agrani Bank Limited
http://www.agranibank.org
3) Al-Arafah Islami Bank Limited
http://www.al-arafahbank.com/
4) Bangladesh Commerce Bank Limited
http://bcblbd.com
5) Bangladesh Development Bank Limited
http://www.bdbl.com.bd
6) Bangladesh Krishi Bank
http://www.krishibank.org.bd
7) Bank Al-Falah Limited
http://www.bankalfalah.com
8)Bank Asia Limited
http://www.bankasia-bd.com
9) BASIC Bank Limited
http://www.basicbanklimited.com
10) BRAC Bank Limited
http://www.bracbank.com
11) Citibank N.A
http://www.citi.com/domain/index.htm
12) Commercial Bank of Ceylon Limited
http://www.combankbd.com
13) Dhaka Bank Limited
http://www.dhakabank.com.bd
14) Dutch-Bangla Bank Limited
http://www.dutchbanglabank.com
15) Eastern Bank Limited
http://www.ebl.com.bd
16) EXIM Bank Limited
http://www.eximbankbd.com
17) First Security Islami Bank Limited
http://www.fsblbd.com
18) Habib Bank Ltd.
http://www.habibbankltd.com
19) ICB Islamic Bank Ltd.
http://www.icbislamic-bd.com/
20) IFIC Bank Limited
http://www.ificbankbd.com
21) Islami Bank Bangladesh Ltd
http://www.islamibankbd.com
22) Jamuna Bank Ltd
http://www.jamunabankbd.com
23) Janata Bank Limited
http://www.janatabank-bd.com
24) Meghna Bank Limited
http://www.meghnabank.com.bd
25) Mercantile Bank Limited
http://www.mblbd.com
26) Midland Bank Limited
http://www.midlandbankbd.net/
27) Modhumoti Bank Ltd.
http://modhumotibankltd.com/
28) Mutual Trust Bank Limited
http://www.mutualtrustbank.com
29) National Bank Limited
http://www.nblbd.com
30) National Bank of Pakistan
http://www.nbp.com.pk
31) National Credit & Commerce Bank Ltd
http://www.nccbank.com.bd
32) NRB Bank Limited
http://www.nrbbankbd.com
33) NRB Commercial Bank Limited
http://www.nrbcommercialbank.com/
34) NRB Global Bank Limited
http://www.nrbglobalbank.com
35) One Bank Limited
http://www.onebankbd.com
36) Premier Bank Limited
http://www.premierbankltd.com
37) Prime Bank Ltd
http://www.prime-bank.com
38) Pubali Bank Limited
http://www.pubalibangla.com
39) Rajshahi Krishi Unnayan Bank
http://www.rakub.org.bd
40) Rupali Bank Limited
http://www.rupali-bank.com
41) Shahjalal Islami Bank Limited
http://www.shahjalalbank.com.bd
42) Social Islami Bank Ltd.
http://www.siblbd.com
43) Sonali Bank Limited
http://www.sonalibank.com.bd
44) South Bangla Agriculture & Commerce Bank Limited
http://www.sbacbank.com/
45) Southeast Bank Limited
https://www.southeastbank.com.bd
46) Standard Bank Limited
http://www.standardbankbd.com
47) Standard Chartered Bank
http://www.standardchartered.com/bd
48) State Bank of India
http://www.statebankofindia.com
49) The City Bank Ltd.
http://www.thecitybank.com
50) The Farmers Bank Ltd
http://www.farmersbankbd.com
51) The Hong Kong and Shanghai Banking Corporation. Ltd.
http://www.hsbc.com.bd
52) Trust Bank Limited
http://www.trustbank.com.bd
53) Union Bank Limited
http://www.unionbank.com.bd/
54) United Commercial Bank Limited
http://www.ucbl.com
55) Uttara Bank Limited
http://www.uttarabank-bd.com
56) Woori Bank
http://www.wooribank.com
57) Shimanto Bank
http://www.shimantobank.com