উচ্চ আদালতে যাবেন ডাঃ ফজলুল হক

নির্বাচন কমিশনের আচরণকে পক্ষপাতমূলক অভিহিত করে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চট্টগ্রাম-৯ আসনেরর প্রার্থী ডাক্তার এ কে এম ফজলুল হক।
নির্বাচন কমিশনে্র প্রাথমিক বাছাইয়ে মনোনয়ন পত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপীল করেছিলেন তিনি। গতকাল রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক চট্টগ্রাম ৯ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী  ডাক্তার এ কে এম ফজলুল হক এর মনোনয়ন পত্র বাতিলাদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপীলের শুনানি শেষে না-মন্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর আইনজীবী বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের সিনিয়র এ্যাডভোকেট ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন আপীলটি যথাযথ নিয়মে দায়ের হয়েছে এবং তাতে বিস্তারিত ভাবে সাংবিধানিক ও আইনি যুক্তিতর্ক উত্থাপন করা হয়েছে। তথাপি নির্বাচন কমিশন আজ সোমবার আপীলটি না মন্জুর করেছে। তিন বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশটি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাতিল হবে, এবং আমাদের ক্লায়েন্ট এর প্রার্থীতা বহাল হবে, কারণ এ আদেশটি সংবিধান এবং আর পি ও এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের ভুল ব্যাখ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত। তর্কিত মনোনয়ন পত্র বাতিলাদেশটি বৈষম্যমূলক ও বটে কারণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বেশ কয়েকজন প্রার্থী বিদেশী নাগরিকত্ব সমর্পন করার আবেদন করেই মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন এবং সেসব বাতিল হয়নি। অতএব, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে এ প্রার্থীর প্রতি ও ন্যায়বিচার ও সমান আচরণ করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য নির্বাচন কমিশন একই ভুল করেছে, সংবিধান ও আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান গুলোর কেবল আক্ষরিক ব্যাখ্যায় সীমাবদ্ধ থেকেছে,
আমরা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রীট পিটিশন দায়ের করবো।”
সকল কে ধৈর্যের সাথে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করছি।

মতামত দিন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * দিয়ে চিহ্নিত।